[english_date], [bangla_time]

শিরোনাম:

উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে প্রয়োজন সমন্বিত প্রচেষ্টা-তালুকদার আব্দুল খালেক

উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে প্রয়োজন সমন্বিত প্রচেষ্টা – এই শ্লোগানকে সামনে রেখে সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর জন্য অত্যাবশ্যকীয় স্বাস্থ্যসেবা প্রকল্পের উদ্বোধন অনুষ্ঠান আজ খুলনা সিটি ইন হোটেলে অনুষ্ঠিত হয়। প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থা খুলনা মুক্তিসেবা সংস্থা (কেএমএসএস) এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

  উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথি খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক বলেন, উপকূলবর্তী সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা সংকট কাটিয়ে উঠতে সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। এই প্রত্যন্ত অঞ্চলের জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসুবিধা প্রাপ্তির হার বাড়াতে এই প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থার এই উদ্যোগ এ অঞ্চলের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে সহায়ক হবে। এর পাশাপাশি তিনি এই প্রকল্পের জন্য সার্বিক সফলতা কামনা করেন এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে সকল প্রকার সহায়তা প্রদানের আশ্বাস দেন। স্বাগত জানান কেএমএসএস’র আফরোজা আক্তার মঞ্জু।

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন খুলনা স্বাস্থ্য বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক ডা. সৈয়দ জাহাঙ্গীর হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনার অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উন্নয়ন) নিশ্চিন্ত কুমার পোদ্দার, সাতক্ষীরার স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মো. হুসাইন শওকত এবং বাগেরহাটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. কামরুল ইসলাম। প্রকল্পের কর্মসূচি তুলে ধরেন ডিএফআইডি’র হেলথ অ্যাডভাইজার ডা. শফিকুল ইসলাম।

    বিভিন্ন ডিজিটাল ও উদ্ভাবনী কৌশলের মাধ্যমে খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা জেলার নির্দিষ্ট এলাকার বিশেষ করে সুবিধাবঞ্চিত ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অত্যাবশ্যকীয় স্বাস্থ্যসেবার আওতায় এনে স্বাস্থ্য, পরিবার-পরিকল্পনা ও পুষ্টি সেবার উন্নয়নের একটি টেকসই মডেল নির্ধারণ ও বাস্তবায়ন করাই হচ্ছে এই প্রকল্পের লক্ষ্য।

    উল্লেখ্য, কনসার্ন ওয়ার্ল্ডওয়াইড এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে ইউকে এইড-এর সহযোগিতায় সাড়ে তিন বছর মেয়াদী (২০১৯-২০২২) এই প্রকল্প CBM, ICDDR,B, Ipas, DRRA, RHSTEP, Telenor Health–এর সহায়তায় খুলনা মুক্তিসেবা সংস্থা ( কেএমএসএস) খুলনা বিভাগের তিনটি জেলার সাতটি উপজেলায় এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে। এছাড়া বরিশাল বিভাগের তিনটি জেলার মোট আটটি উপজেলায় বাস্তবায়ন করবে পিএইচডি নামক একটি বেসরকারি সংস্থা।