[english_date], [bangla_time]

শিরোনাম:

কারাগারে ১৪১ পদের বিপরীতে চিকিৎসক ১০: কারা অধিদপ্তর

দেশের কারাগারগুলোতে চিকিৎসকদের জন্য ১৪১টি পদের অনুমোদন থাকলেও এর বিপরীতে মাত্র ১০ জন কর্মরত আছেন বলে জানিয়েছে কারা অধিদপ্তর। 

আজ মঙ্গলবার (৫ অক্টোবর) অধিদপ্তরের পক্ষে আদালতে দাখিল করা এক প্রতিবেদনে এ তথ্য এসেছে।

বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের হাইকোর্ট বেঞ্চে উপস্থাপিত ওই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, সারাদেশের কারাগারগুলোতে বন্দি ধারণের ক্ষমতা ৪০ হাজার ৬৬৪। তবে বন্দি আছে ৮৬ হাজার ৯৯৮। এ হিসাব চলতি বছরের ২৭ আগস্ট পর্যন্ত। চিকিৎসকের সংখ্যা বিষয়ক হিসাব ২৪ এপ্রিল ২০১৯ পর্যন্ত। 

আইনজীবী জে আর খান রবিনের দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে কারা অধিদপ্তরের পক্ষে আইনজীবী শফিকুল ইসলাম প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী মাহবুব উদ্দিন খোকন।

চলতি বছরের চার ফেব্রুয়ারি দেশের মোট ৬৮টি কারাগারে ১২০ জন কারা-চিকিৎসক নিয়োগ চেয়ে সংশ্লিষ্টদের আইনি নোটিস পাঠান আইনজীবী জে আর খান রবিন।  

এতে বলা হয়েছে, কিছু দৈনিক পত্রিকার প্রতিবেদন ও কারাকর্তৃপক্ষ থেকে পাওয়া তথ্য অনুসারে দেখা গেছে, সারা দেশের প্রায় ৬৮টি কারাগারে মোট ১২৯ জন চিকিৎসক কর্মরত থাকার কথা। কিন্তু মাত্র ৯ জন চিকিৎসক প্রায় ৮৯ হাজার কারাবন্দিকে চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছেন। এমনিতেই দেশের কারাগারগুলোতে বন্দিদের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি। সেই সঙ্গে নির্দিষ্টসংখ্যক চিকিৎসক না থাকায় কারাবন্দিদের চিকিৎসার স্বাভাবিক প্রক্রিয়া ব্যাহত হচ্ছে।

সাত দিনের মধ্যে দেশের ৬৮টি কারাগারে অবশিষ্ট ১২০ জন চিকিৎসক নিয়োগ দিতে নোটিসে উল্লেখ করা হয়।  

অন্যথায় প্রতিকার চেয়ে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিট দায়ের করা হবে বলে জানান নোটিস প্রদানকারী আইনজীবী। নোটিসের দাবি পূরণ না হওয়ায় এ বিষয়ে রিট করেন ওই আইনজীবী। এরই ধারাবাহিকতায় আজ প্রতিবেদনটি জমা পড়ে।

প্রতিবেদনটি দাখিলের পর আদালত শুনানি নিয়ে আগামী সোমবার পরবর্তী শুনানির দিন রেখেছেন।