[english_date], [bangla_time]

শিরোনাম:

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজে তদন্ত দল: অতিরিক্ত দাম দেখিয়ে কেনা পর্দা নষ্ট হচ্ছে

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ (ফমেক) হাসপাতালে অতিরিক্ত দামে কেনা আলোচিত সেই পর্দা ও অক্সিজেন প্লান্টসহ বিভিন্ন চিকিৎসা সরঞ্জাম নষ্ট হচ্ছে। এসব সরঞ্জাম কেনাকাটায় অনিয়ম তদন্ত করছে পাঁচ সদস্যের তদন্ত দল।

তদন্ত দলের সদস্যরা হলেন- দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপ-সহকারী পরিচালক মো. শহিদুর রহমান ও ফেরদৌস রহমান, স্বাস্থ্য অধিদফতরের উপ-পরিচালক ডা. মো. জাকির হোসেন ও সহকারী পরিচালক ডা. শফিকুর রহমান এবং সরকারি হাসপাতালের যন্ত্রপাতি মেরামতকারী একমাত্র প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল ইলেকট্রো ইকুইপমেন্ট মেইনটেইন্যান্স ওয়ার্কশপ অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টারের (নিমিউ অ্যান্ড টিসি) সহকারী প্রকৌশলী নাশিদ রহমান।

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. কামদা প্রসাদ সাহা বলেন, পাঁচ সদস্যের তদন্ত দল ২ দিন ধরে তদন্ত করেছে। দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক মো. শহিদুর রহমান বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশে দুদকের পক্ষ থেকে তদন্ত করেছি। তিনি বলেন, ব্যবহার না করায় এখানকার বেশিরভাগ মেশিন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে বহুল আলোচিত পর্দাও নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এ ব্যাপারে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।

রিটের পর স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালকের কাছে অনিক ট্রেডার্সের সরবরাহ করা ১০ কোটি টাকার যন্ত্রপাতির তালিকা চেয়ে পাঠান। পরিচালক ডা. কামদা প্রসাদ সাহা ২০১৮ সালের ১০ অক্টোবর ১০ আইটেমের যন্ত্রপাতির তালিকা দেন। ২০১২ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত পাঁচজন চিকিৎসক ফরিদপুরে প্রকল্প পরিচালক হিসেবে কাজ করেছেন। তারা হলেন- আ স ম জাহাঙ্গীর চৌধুরী, এবিএম শামসুল আলম, মো. ওমর ফারুক খান, গণপতি বিশ্বাস ও আবুল কালাম আজাদ। এর মধ্যে ওমর ফারুক খান মারা গেছেন।