[english_date], [bangla_time]

শিরোনাম:

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশে লাগবে দ্বিগুণ সময়

এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশে এবার বেশি সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ। শুক্রবার (১১ অক্টোবর) ভর্তি পরীক্ষা শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।

অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ বলেন, অন্যান্য বছর মেডিকেল কলেজে ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল ৪৮ ঘণ্টা মধ্যে প্রকাশ করা হলেও এবার ৭২ ঘণ্টার আগে ফলাফল প্রকাশ করা সম্ভব হবে না।

তিনি জানান, মেডিকেল কলেজে ভর্তি পরীক্ষার উত্তরপত্র অন্যান্য বছর শুধুমাত্র অপটিক্যাল মার্ক রিকগনেশন (ওএমআর) মেশিনে দেখা হলেও এবারই প্রথম প্রশ্ন ও উত্তরপত্র দুটোই ইন্টিলিজেন্স ক্যারেকটার রিকগনেশন (আইসিআর) নামক মেশিনে দেখা হবে। ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশে দ্বিগুণ সময় লাগবে।

৭৩ হাজারের বেশি পরীক্ষার্থীর খাতা দেখতে গতবারের চেয়ে দ্বিগুণ সময় লাগবে জানিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আরও বলেন, ‘চারদিনের মধ্যে ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা সম্ভব হবে বলে আশা করছি।

সময় বেশি লাগার কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, গত বছর পর্যন্ত ওএমআর মেশিনে শুধুমাত্র উত্তরপত্র (এ৪ আকারের কাগজ) প্রবেশ করিয়ে পরীক্ষা করা হতো। আকারে ছোট হওয়ায় এতে সময় কম লাগতো। কিন্তু এবার ভিন্ন পদ্ধতিতে ও ভিন্ন মেশিনে উত্তর ও প্রশ্নপত্র উভয়ই পরীক্ষা করে দেখা হবে। এবার আগের তুলনায় বড় আকারের (এ-৩ আকারের কাগজ) আইসিআর মেশিনে পরীক্ষা করা হবে।

মেশিনে প্রশ্ন ও উত্তরপত্র উভয় পরীক্ষা ও কাগজের আকার বড় হওয়ার কারণে সময় বেশি লাগবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, কম-বেশি ৪দিন লাগতে পারে। তবে চেষ্টা থাকবে যত দ্রুত ফল ঘোষণা করা যায়।

প্রসঙ্গত, আজ শুক্রবার (১১ অক্টোবর) রাজধানীসহ সারাদেশের ১৯টি কেন্দ্রের ৩২টি ভেন্যুতে সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল কলেজের এমবিবিএস প্রথম বর্ষ ভর্তিপরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ১০০ নম্বরের নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্নে সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত এক ঘণ্টার এ ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ভর্তি পরীক্ষায় পদার্থবিদ্যায় ২০, রসায়নে ২৫, জীববিজ্ঞানে ৩০, ইংরেজিতে ১৫ এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সাধারণ জ্ঞানে ১০ নম্বর ছিল।

এবারের এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষায় সরকারি চার হাজার ৬৮টি ও বেসরকারি ছয় হাজার ৩৩৬টিসহ ১০ হাজার ৪০৪টি আসনের বিপরীতে মোট ৭২ হাজার ৯২৮ জন ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। গত বছরের চেয়ে এ বছর ৭ হাজার ৯ জন বেশি পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করছেন।