[english_date], [bangla_time]

শিরোনাম:

শিশুর পুষ্টি ও অপুষ্টির বিষয়টি মায়ের বুকের দুধের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত-স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ঢাকা ৭ আগস্টঃ ১৯৯২ সাল থেকে প্রতি বছর ১-৭ আগষ্ট বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ সারাবিশ্বের সাথে বাংলাদেশেও পালিত হয়ে আসছে এবং ২০১০ সাল থেকে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ‘বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ’ দেশব্যাপী সরকারীভাবে পালিত হচ্ছে। 
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠান ও বাংলাদেশ ব্রেস্টফিডিং ফাউন্ডেশন (বিবিএফ)-এর যৌথ উদ্যোগে এবং অন্যান্য সহযোগী সংস্থার সহযোগিতায় এ বছরেও বাংলাদেশে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ সফলভাবে উদযাপিত হচ্ছে। 
এবারের প্রতিপাদ্য বিষয়হলো “শিশুকে সবসময় মায়ের দুধ খাওয়াতে মাতাপিতাকে ক্ষমতায়ন করুন”। ৬ আগস্ট, বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র, ঢাকায় বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ ২০১৯ উদযাপন উপলক্ষ্যে উদ্বুদ্ধকরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক, এমপি, অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। 
শিশুকে পর্যাপ্ত মাতৃদুগ্ধ নিশ্চিতকরণে বহু প্রতিবন্ধকতা রয়েছে, তবে এর মধ্যে বড় বাঁধা হলো কর্মক্ষেত্রে মাতাকে সহায়ক পরিবেশ প্রদান করা। সফলভাবে শিশুকে মায়ের দুধ খাওয়ানো একটি দলগত প্রচেষ্টা। আর এর সহায়ক পরিবেশ তৈরির জন্য প্রয়োজন প্রমাণ-ভিত্তিক নিরপেক্ষ তথ্য এবং প্রাণবন্ত সহায়তা, যেন মা-বাবাকে ক্ষমতায়নের মাধ্যমে শিশুকে পর্যাপ্ত মায়ের দুধ খাওয়ানো নিশ্চিত করানো যায়। 
যদিও মাতৃদুগ্ধ দান মায়ের অধিকারভুক্ত তথাপি স্বামী, পরিবার, কর্মক্ষেত্র এবং সমাজের কাছ থেকে পূর্ণসহায়তা পেলে মাতৃদুগ্ধ দানের হার বৃদ্ধি পাবে।যেহেতু মাতৃদুগ্ধ মা এবং তার নিকটতম সমর্থকদের সাথে সম্পর্কিত, সেহেতু এক্ষেত্রে একটি সমন্বিত পদ্ধতি গ্রহণ জরুরী। 
শিশুর পুষ্টি ও অপুষ্টির বিষয়টি মায়ের বুকের দুধের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত এবং স্তন্যপান না করানোর ফলে মায়েদের ব্রেস্ট ক্যান্সার, স্থূলতা, ডায়াবেটিস ইত্যাদি নানা রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়।আমাদের দেশে মাতৃদুগ্ধদানের হার বৃদ্ধি না পাওয়ার অন্যতম কারন মাতৃদুগ্ধ দানের উপকারিতা সম্পর্কে সচেতনতার অভাব। 
এই পরিস্থিতির পরিবর্তনে সঠিক সময়ে সঠিক নিয়মে শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানোর প্রয়োজনীয়তা বিষয়ে জানাতে এবং মাতা-পিতাকে উৎসাহিত করতে সচেতনতা জরুরি। 
জাহিদ মালেক বলেন, “মায়ের দুধ শিশুকে সুস্থ-সবল থাকতে সাহায্য করে। সব শ্রেনি-পেশার মানুষকে এর উপকারিতা সম্পর্কে সচেতন করতে হবে। আমাদের নারীর ক্ষমতায়নের প্রতি লক্ষ রাখতে হবে এবং প্রতিটি সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ব্রেস্টফিডিং করানোর পরিবেশ তৈরি করে দিতে হবে”। 
স্বাস্থ্য মন্ত্রী এ  সময়  মাতৃদুগ্ধপানের প্রচার ও প্রসারে অবদানের জন্য শিশু-মাতৃ স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ডা: এম. এ. মান্নানসহ বেশ কয়েকজনকে  সম্মাননা স্বীকৃতি স্বারক প্রদান করেন । 
জনাব মোঃ আসাদুল ইসলাম, সচিব, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় অনুষ্ঠানটি সভাপতিত্ব করেন। 
জনাব মোঃ আসাদুল ইসলাম, সচিব, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় অনুষ্ঠানটি সভাপতিত্ব করেন। 
সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ, মহাপরিচালক, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং কাজী আ. খ. ম. মহিউল ইসলাম, মহাপরিচালক, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর।