২৮শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ইং, রাত ১২:২৮

শিরোনাম:

ক্যান্সার স্ক্রিনিং কর্মসূচি দেশব্যাপী ছড়িয়ে দিতে হবে -কনক কান্তি বড়ুয়া

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া বলেছেন, ক্যান্সার নিয়ন্ত্রণে স্ক্রিনিং অর্থাৎ লক্ষণ দেখা দেয়ার আগে ক্যান্সার নির্ণয়ের গুরুত্ব অপরিসীম। তাই এ স্ক্রিনিং কর্মসূচি দেশব্যাপী ছড়িয়ে দিতে হবে। 

মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) বিএসএমএমইউর মিলন হলে অনুষ্ঠিত ক্যান্সার স্ক্রিনিং বিষয়ক প্রথম জাতীয় সম্মেলনের উদ্বোধনী অনষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি। 

কমিউনিটি অনকোলজি সেন্টার ট্রাস্টের উদ্যোগে এবং জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের ক্যান্সার ইপিডেমিওলজি বিভাগের সহযোগিতায় আয়োজিত দিনব্যাপী এ সম্মেলনে স্তন, জরায়ুমুখ, মুখগহ্বর, প্রোস্টেট ও বৃহদন্ত্রের ক্যান্সারের প্রায় বিশটি বৈজ্ঞানিক নিবন্ধ উপস্থাপন করেন দেশ বরেণ্য বিশেষজ্ঞ ও তরুণ চিকিৎসকগণ। 

কনফারেন্সের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. সাবেরা খাতুনের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট অনকোলজিস্ট অধ্যাপক এম এ হাই, বিএসএমএমইউর উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শহীদুল্লাহ শিকদার। 

সূচনা বক্তব্যে কনফারেন্সের সেক্রেটারি ও জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের ক্যান্সার ইপিডেমিওলজি বিভাগের প্রধান ডা. মো. হাবিবুল্লাহ তালুকদার রাসকিন বলেন, বিগত বছরগুলোতে সরকারি উদ্যোগে জরায়ুমুখ ও স্তন ক্যান্সার স্ক্রিনিং প্রোগ্রাম উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি লাভ করেছে। তবে এই প্রোগ্রামের সম্প্রসারণে মুখগহ্বরের ক্যান্সার অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন। এ সময় হাসপাতালকেন্দ্রিক না থেকে সমাজভিত্তিক সুসংগঠিত কর্মসূচির উপর জোর দেওয়ার তাগিদ দেন তিনি। 

বিকেলে ভিন্নধর্মী একটি অধিবেশনে সংসদ সদস্য ওয়াসেকা আয়েশা খান বলেন, একটি সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য গ্রামে-গঞ্জে স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রীদের এ বিষয়ে সচেতন করে তুলতে হবে।

অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান ইউনিভার্সিটির একজন বিশেষজ্ঞ প্রযুক্তিনির্ভর স্ক্রিনিং প্রোগ্রামের উপর বক্তব্য রাখেন।  

প্রায় দুইশজন চিকিৎসক, স্বেচ্ছাসেবক ও ক্যান্সার সারভাইভার সম্মেলনে যোগ দেন।