২৭শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ইং, রাত ১১:৩৩

শিরোনাম:

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ১০ কর্মকর্তার সম্পদের হিসাব চেয়েছে দুদক

অবৈধ সম্পদের খোঁজ পাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ১০ কর্মকর্তা-কর্মচারী ও তাদের স্ত্রীদের সম্পদের হিসাব চেয়ে নোটিস পাঠিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। 

মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) এই নোটিস পাঠানো হয় বলে জানিয়েছেন দুদকের উপপরিচালক (জনসংযোগ) প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য।

দুদকের পরিচালক কাজী শফিকুল আলম স্বাক্ষরিত ওই নোটিস প্রত্যেকের বর্তমান ঠিকানায় পাঠানো হয়েছে। আগামী ২১ কার্যদিবসের মধ্যে তাদের সম্পদবিবরণী দাখিল করতে চিঠিতে বলা হয়েছে। 
 
যাদের নোটিস পাঠানো হয়েছে তারা হলেন: খুলনা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট শহীদ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. ওয়াহিদুজ্জামান ও তার স্ত্রী শামীমা নার্গিস, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের চিকিৎসা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য জনশক্তি উন্নয়ন শাখার উচ্চমান সহকারী মো. রেজাউল ইসলাম ও তার স্ত্রী রওনক জাহান শাহীন, কুয়েত মৈত্রী সরকারি হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. আলীমুজ্জামান ও তার স্ত্রী রওশন জাহান শাহীন, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের হিসাবরক্ষক মজিবুর রহমান ও তার স্ত্রী ফরিদা আক্তার, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের চিকিৎসা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য জনশক্তি উন্নয়ন শাখার প্রধান সহকারী খায়রুল ইসলাম ও তার স্ত্রী দিলারা আলম সুমি, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রশাসনিক কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির ও তার স্ত্রী পারভীন আক্তার, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রশাসনিক কর্মকর্তা (প্রশাসন-২) কবির আহমেদ চৌধুরী ও তার স্ত্রী রুবিনা শিরিন, জাতীয় বক্ষব্যাধি হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মুন্সি সাজ্জাদ হোসেন ও তার স্ত্রী ফারজানা হোসাইন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের দপ্তরের সহকারী প্রধান জোবোয়ের হোসেন ও তার স্ত্রী শাহানা সুলতানা এবং সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন অফিসের প্রধান সহকারী এম কে আশেক নওয়াজ ও তার স্ত্রী নিলুফা ইয়াসমিন।

নোটিশে বলা হয়, প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে প্রাথমিক অনুসন্ধান করে কমিশনের স্থির বিশ্বাস জন্মেছে যে, তাঁরা জ্ঞাত আয়ের বহির্ভূত স্বনামে বা বেনামে বিপুল পরিমাণ সম্পদের মালিক হয়েছেন। তাই নোটিশ পাওয়ার ২১ কার্যদিবসের মধ্যে তাঁদের নিজের, নির্ভরশীল ব্যক্তিবর্গের যাবতীয় স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি, দায়-দেনা, আয়ের উৎস ও তা অর্জনের বিস্তারিত বিবরণ নির্ধারিত ফরমে দাখিল করতে হবে।

প্রসঙ্গত, দুদকের উপপরিচালক মো. সামছুল আলমের নেতৃত্বে একটি দল তাদের অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধান করছে।